রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
রাজধানীর খেলার মাঠ উন্নয়নে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিদর্শন টিম বাকেরগঞ্জে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার জনগণের অধিকার বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য : ডেপুটি স্পীকার সংস্কৃতি মন্ত্রী–ইতালি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় “সংস্কৃতি হলো একটি জাতির আত্মা” : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বৈশাখ এলো রে এলো
সালমান রাজের কণ্ঠে, কথা ও সুর মিজানুর রহমান নতুন মৌলিক বৈশাখী গান
স্পীকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মঠবাড়িয়ায় সংস্কৃতি চর্চার টাকা নিয়ে প্রধান শিক্ষকের নয়ছয় নবনির্বাচিত দুইজন সংসদ-সদস্যের শপথ পাঠ করান স্পীকার মঠবাড়িয়ায প্রাইভেটকারের গতিরোধ করে ব্যবসায়ীর ওপর হামলার চেষ্টা
ডিজি’র নেতৃত্বে প্রাণীসম্পদ খাতে টেকসই উন্নয়ন

ডিজি’র নেতৃত্বে প্রাণীসম্পদ খাতে টেকসই উন্নয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রাণীসম্পদ খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবু সুফিয়ান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার পরিকল্পিত দিকনির্দেশনায় খাতটি দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শুধু উৎপাদন বৃদ্ধিই নয়, খামারিদের জীবনমান উন্নয়ন, পুষ্টি নিরাপত্তা, রপ্তানি সম্ভাবনা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার দিক থেকেও এসেছে দৃশ্যমান অগ্রগতি।

দৃষ্টিনন্দন পরিকল্পনা, বাস্তবমুখী বাস্তবায়ন:
ডা. আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে আধুনিক প্রাণিসেবা পৌঁছে গেছে প্রান্তিক পর্যায়ে। প্রযুক্তিনির্ভর পশু চিকিৎসা, জাত উন্নয়ন কর্মসূচি, খামার ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ, এবং মানসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে বহুমুখী কার্যক্রম। “খামারির দোরগোড়ায় সেবা” কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খামারিরাও পাচ্ছেন প্রয়োজনীয় সেবা ও পরামর্শ।

ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ :
প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজলভ্য করতে চালু করা হয়েছে ‘লাইভস্টক কল সেন্টার’ এবং অনলাইন ভেটেরিনারি পরামর্শ। এতে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন খামারিরা, কমছে পশুর রোগব্যাধি ও মৃত্যুহার। কৃষি ও প্রাণীসম্পদ তথ্যকে একত্র করে একটি সমন্বিত ডেটাবেজ গড়ে তোলার কাজও এগিয়ে চলছে।

খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি উন্নয়নে অবদান:
জাতীয় পর্যায়ে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাংস, দুধ ও ডিম উৎপাদনে এসেছে রেকর্ড বৃদ্ধি। খাদ্যতালিকায় প্রাণিজ আমিষের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশু ও নারীদের পুষ্টি উন্নয়নেও দেখা যাচ্ছে ইতিবাচক প্রভাব।

ডা. আবু সুফিয়ান বলেন “আমরা শুধু প্রাণীসম্পদ উৎপাদনে নয়, সেবার গুণগত মান, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য—এ খাতকে আরও বিজ্ঞানভিত্তিক ও উদ্যোক্তাবান্ধব করে তোলা।”

রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা :

গবাদিপশু, ডেইরি ও পোল্ট্রি শিল্পের টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের হালাল মাংস রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে মাংস ও প্রাণিজ পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের নেতৃত্বে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য গৃহীত হয়েছে মাননিয়ন্ত্রণ, হালাল সার্টিফিকেশন ও প্রসেসিং সেন্টার সম্প্রসারণের মতো উদ্যোগ।

খামারিদের প্রশিক্ষণ :

নতুন খামারি তৈরি ও পুরাতন খামারিদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সরবরাহ করা হচ্ছে । খামারিদের জন্য চালু করা হয়েছে ‘এক খামার এক চিকিৎসক’ কর্মসূচি। এতে প্রতিটি খামার পর্যবেক্ষণে রাখার মাধ্যমে প্রাণীদের স্বাস্থ্য, প্রজনন ও উৎপাদন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হচ্ছে।

সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে:
প্রাণীসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য ডা. আবু সুফিয়ান গ্রহণ করেছেন মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। তার নেতৃত্বে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর দেশের কৃষি-অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। পোল্ট্রি, ডেইরি, গবাদিপশু পালন—সব মিলিয়ে এ খাতে তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরি হওয়ার সুযোগ।

ডা. আবু সুফিয়ানের দক্ষ নেতৃত্বে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর এখন শুধু একটি সরকারি দপ্তর নয়—এটি পরিণত হয়েছে একটি সেবাধর্মী ও উন্নয়নমুখী প্রতিষ্ঠানে। তার পরিকল্পিত নেতৃত্ব এবং দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির ফলেই প্রাণীসম্পদ খাত আজ জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম স্তম্ভে পরিণত হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2022 shadhindiganta.com
কারিগরি সহযোগিতায়: